অনলাইন বাংলা সংবাদ পত্র

ব্যাংকের লকার থেকে সোনা উধাও

সত্যের সৈনিক অনলাইন : ভারতের একটি ব্যাংকের লকার থেকে গয়না উধাও এর ঘটনা ঘটেছে। গত কয়েক মাসে ভেতর ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকের সংখ্যা তিন জন। ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কাছে দারস্থ হয়েও কোনও সুরাহা না মেলায় অবশেষে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তারা।

মানুষ তার সারা জীবনের কষ্টার্জিত সম্পদকে নিজের জীবনের চেয়েও বেশি যত্নে আগলে রাখতে চায়। আর সেটি যদি হয় সোনা তাহলে আর কথায় থাকে না। তার জন্য চাই আরও বেশি নিরাপত্তা। আর সেই নিরাপত্তার জন্য বেছে নেওয়া হয় ব্যাংককে। এজন্য তাকে গুনতে হয় কিছু বাড়তি পয়সাও। তার পরও সোনার সুরক্ষা চাই। কিন্তু তাতেও যেনো হলোনা শেষ রক্ষা।

ঘটনাটি ঘটেছে পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংকের কেষ্টপুর শাখার লকারে। ব্যাংকটির ঐ শাখায় গয়না রেখেছিলেন কুহেলি দত্ত। কিন্তু সেই গয়না তুলতে গিয়ে গয়না আর মেলেনা। ব্যাংক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি। কিন্তু তেমন কোনও সাড়া পাননি বলেই অভিযোগ।

শুধু তিনিই নন, নিউটাউনের মালতী রায়ের গয়না ছিল কেষ্টপুর এসবিআই-এর লকারে। বড়বাজারের মঞ্জু আগরওয়ালের অবস্থা একই। ইসিআইসিআই ব্যাংকের ব্রেবোর্ন রোড শাখার লকারে গয়না রেখেছিলেন। কিন্তু সেইসব গয়নার আর কোনও হদিশ নেই।

লকার থেকে গয়না উধাওয়ের পর কেটে গেছে বেশ কয়েকটা মাস। কারও ৯ লাখ টাকার গয়না কারও আবার খোওয়া গিয়েছে ২৫ লাখ টাকার গয়না। কিন্তু হারিয়ে যাওয়া সেই গয়না খুঁজে বের করার ব্যাপারে কার্যত কোনও উদ্যোগই নিচ্ছেন না ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

ব্যাংকের সঙ্গে গ্রাহকের চুক্তি অনুযায়ী লেখা থাকে লকারে রাখা জিনিস খোওয়া বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার দায়িত্ব গ্রাহকের। পুলিশ জানায়, বিভিন্ন লকার চুরির ঘটনায় দেখা গিয়েছে এই ধরনের চক্র নিজেরাই ব্যাংকে একটি লকার ভাড়া নেয়। তারপর লকারে ঢুকে অন্যের লকার ভেঙে চুরি করে। নকল চাবিও ব্যবহার করা হতে পারে।

০৯ আগস্ট ২০১৮/সত্যের সৈনিক/মো: জহিরুল ইসলাম খান

Leave A Reply

Your email address will not be published.