অনলাইন বাংলা সংবাদ পত্র

প্রেসিডেন্ট এরদোগানের হ্যাট্রিক

সত্যের সৈনিক অনলাইন : একজন দেশের শাসক হিসেবে এরদোগানকে দেখেছে বিশ্ব। জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা এ রাষ্ট্রনায়ককে এবার দেখা গেছে ফুটবল মাঠে। তবে অতিথি হিসেবে নয়, বরং একজন পুরোদোস্তর পেশাদার ফুটবলার হিসেবে।

আর তুরস্কের প্রেসিডেন্ট যে নৈপুণ্য দেখালেন বলা যায় তা মেসি-নেইমারদের চেয়েও দুর্দান্ত। কারণ ৬৪ বছর বয়সেও এরদোগান যেরকম ফুটবল নৈপুণ্য দেখিয়েছেন তাতে চোখ কপালে ওঠার মতো অবস্থা।

একটি প্রীতি ম্যাচে দেখা গেছে তার এমন দুর্দান্ত ফুটবল নৈপুণ্য। সেই সাথে তার হ্যাট্রিক গোল মুগ্ধ হয়ে উপভোগ করলো ফুটবলপ্রেমী দর্শকরা।

২০১৪ সালে ইস্তাম্বুলে একটি স্টেডিয়ামের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছিলো একটি প্রীতি ম্যাচের। এই প্রীতি ম্যাচেই এরদোগানকে একজন খেলোয়ার হিসেবে দেখা যায়।

তবে ইউটিউবের কল্যাণে ভিডিওটি আবার আলোচনায় এসেছে সম্প্রতী। ইস্তাম্বুলের বাসাকসেহির ক্লাবের নিজস্ব ফুটবল স্টেডিয়াম উদ্বোধন উপলক্ষে ম্যাচটি খেলেছেন এরদোগান।

ভিডিও এ তাকে খেলার শুরুতে সাইডলাইনে দেখা যায়। পরে দলের বিপর্যয়ে তিনি মাঠে নেমে পড়েন। এবং দুর্দান্ত হ্যাট্রিক করে দলকে সমতায় ফেরান। শেষ দিকে পেনাল্টির মাধ্যমে জয় পায় তার দল।

প্রথম প্রচেষ্টায়ই প্রতিপক্ষের ভুল পাস থেকে বল পেয়ে দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বক্সের বাম পাশ দিয়ে শট নেন। তবে এরদোগানের বাম পায়ের শটটি ধরে ফেলেন প্রতিপক্ষের গোলরক্ষক।

পরমুহূর্তে নিজেদের সীমানা থেকে আবার আক্রমণ রচনা করে তার দল। তবে এবার আর ব্যর্থ হতে হয়নি তাকে। ডান পায়ের শটে করেন প্রথম গোল। একটু পরই মাঝমাঠ থেকে বল পেয়ে অনেকটা দৌড়ে গিয়ে বা পায়ের শটে করেন দ্বিতীয় গোল। গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে জালে জড়ায় বল।

এরদোগানের করা তৃতীয় গোলটি বক্সের ডান প্রান্ত দিয়ে করা । এই গোলটির মাধ্যমে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন তিনি।

জানা যায়, এক সময় আধাপেশাদার ফুটবল খেলতেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট। পনের বছর বয়সে ক্লাব পর্যায়ে ফুটবল খেলতে শুরু করেন এই রাষ্ট্রনেতা। খেলোয়াড়ি জীবনে খেলেছেন ইস্তাম্বুলের এরোস্কপর, কামিয়ালটি ও আইইটিটি স্পোর ক্লাবে। এর মধ্যে কামিয়ালটিতেই খেলেছেন টানা সাত বছর।

এরপর আইইটিটি স্পোরে যোগ দিয়ে খেলেছেন আরো সাত বছর। সেখানে ক্লাবটির হয়ে জিতেছেন পাঁচটি শিরোপা।

১৪ জুন ২০১৮/সত্যের সৈনিক/মোঃ জহিরুল ইসলাম খান

Leave A Reply

Your email address will not be published.