অনলাইন বাংলা সংবাদ পত্র

রাঙামাটি ও মহেশখালিতে পাহাড়ধসে ১২ জন নিহত

সত্যের সৈনিক অনলাইনঃ বাংলাদেশে পার্বত্য জেলা রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলায় পাহাড়ে ভূমিধসে ১১ জন নিহত হয়েছে। রাঙামাটির জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদ জানিয়েছেন, নানিয়ার চরে তিনটি জায়গায় ভূমিধস হয়েছে। জেলা সদর সহ সব মিলিয়ে বিশটির মতো ভূমিধস হয়েছে গত রাত থেকে। জেলায় গত কয়েকদিন ধরেই টানা বৃষ্টি হচ্ছিলো।
বাংলাদেশে এবার ভূমিধসে প্রাণহানি কেন এত বেশি এ প্রশ্নে তিনি জানিয়েছেন, “এখনো একটানা বৃষ্টি হয়েই যাচ্ছে। বৃষ্টির যে অবস্থা, এভাবে যদি বৃষ্টি হতে থাকে তাতে আমরা আরো ভূমিধসের আশঙ্কা করছি”
তিনি জানিয়েছেন এ পর্যন্ত একুশটি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। মানুষজনকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
নানিয়ার চরের বড়ফুলপাড়া, ধর্মচরণপাড়া এবং হাতিমারা এলাকায় এই ধসের পাশাপাশি রাঙামাটি সদরেও তিনটি বাড়ি মাটি চাপা পড়েছে।
তবে তারা আগেই সরে যাওয়ায় সেখানে কেউ হতাহত হয়নি। রাঙামাটি খাগড়াছড়ির মধ্যে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। গত বছর রাঙামাটি, চট্টগ্রাম ও বান্দরবান এই তিনটি জেলায় ঠিক ১৩ জুন ঘটেছিলো ভয়াবহ পাহাড় ধসের ঘটনা। যাতে প্রায় দেড়শ জনের মতো নিহত হয়েছিলো।
ঘটনার এক বছর পূর্ণ হতেই নতুন করে আবারো দুর্যোগ নেমে এলো রাঙামাটিতে।

এদিকে কক্সবাজারের মহেশখালীতে পাহাড় ধসে বাদশা মিয়া (৩৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার ভোরে উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের পানিরছড়ায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত বাদশা মিয়া হোয়ানক পানিরছরা এলাকার মৃত চান মিয়ার ছেলে।

মহেশখালী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ জানান, সোমবার সারারাত বৃষ্টিপাত হয়েছে। এতে ক্ষতির পরিমাণ জানতে ভোরে বাড়ির অদূরে নিজের সবজিখেত দেখতে গিয়েছিলেন তিনি। যাবার সময় রাস্তার পাশের ভাঙা পাহাড়ের একটি অংশ ধসে বাদশার মিয়ার ওপর পড়ে। এতে তিনি মাটিচাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

তিনি আরও জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার পরিবারকে ২০ হাজার টাকা অনুদান দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

১২ জুন ২০১৮/সত্যের সৈনিক/সুলতান মাহমুদ

Leave A Reply

Your email address will not be published.