অনলাইন বাংলা সংবাদ পত্র

আত্ম-অহংকার – মুসাফির মজনু

আঁধারের গায়ে সাঁঝবাতি হয়ে মোমবাতি বলে,,,
“নিজেকে পুড়িয়ে আলোকিত করি পরের ঘর;
জীবন বিনাশ করে পেয়েছি কি কিছু,,,
দিয়েছে কি কেউ মরণোত্তর পুরুস্কার”।

সহসা পুবাকাশে শশী উদিত হয়ে কহে
“ওহে ক্ষুদ্র প্রদীপ, আলোকিত দ্বীপ করো কতদূর,,,
কতো দীপ্তশিখায় করেছো ছায়া দূর,,,
আমার জোছনায় ফুটে উঠে এ’জগত সংসার”।

একটু কেশে অট্টহেসে মোমবাতি বলে,,,
“ওরে ঋণখেলাপী করিসনে দাপাদাপি পূর্ণিমায়;
অন্যের ধার-দেনায় আকণ্ঠ নিমজ্জিত
এতো আলো নিয়ে অমাবস্যায় থাকো কোথায়”?

চাঁদ রেগে বলে,,, “ওরে ক্ষণজন্মা চেরাগ
আউলা বাতাসে হয় তোর অকাল মরণ;
ঘুমন্ত ধরণী পাহারায় জাগি সারা যামিনী ভর,,,
এমন নিঃস্বার্থের দান আর কতো দিবো অকাট্য প্রমাণ”!

রজনী শেষে, ভোরের আবেশে কহে উদয়ন রবি,,,
“আপন আলোকে আলোকিত করো নিজ ক্ষমতায়;
অস্ত গিয়েছি বলে ভেবো না মরেছি তবে
ছুটে চলি আঁধারের পিছু খোলস খুলতে সাম্যতায়”।।

১৪/৭/২০১৯/ সত্যের সৈনিক/ শামীমা নাসরীন

Leave A Reply

Your email address will not be published.